'প্রশ্নঃ
‘মীলাদ’ সমর্থক লোকদের মধ্যে কিছু লোক এমন ধারণা রাখে যে, রাসূলুল্লাহ
(ছাঃ) স্বয়ং মীলাদের মাহফিলে হাযির হন এবং সেজন্য তারা রাসূলুল্লাহ
(ছাঃ)-এর সম্মানে তাঁকে অভ্যর্থনা জানিয়ে উঠে দাঁড়িয়ে (ক্বিয়াম করে)
সালাম জানায় (যেমন, ইয়া নবী সালামু আলায়কা)। এর সত্যতা কত টুকু কুরআন
সুন্নাহের আলোকে জানাবেন।
----------
উত্তর- এটা হ’ল সবচাইতে চরম মূর্খতা ও ভিত্তিহীন কর্ম। কেননা রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) ক্বিয়ামতের পূর্বে কবর থেকে বাইরে আসতে পারেন না। পারেন না কোন মানুষের সাথে মিলিত হ’তে কিংবা তাদের কোন মজলিসে যোগদান করতে। তিনি ক্বিয়ামত পর্যন্ত কবরেই থাকবেন এবং তাঁর পবিত্র রূহ তাঁর প্রতিপালকের নিকট মহা সম্মানিত ‘ইল্লীঈনে’ থাকবে। যেমন সূরায়ে মুমিনূনে এ সম্পর্কে এরশাদ হয়েছে,
( ‘অতঃপর তোমরা অবশ্যই মৃত্যুমুখে পতিত হবে’। ‘অতঃপর তোমরা ক্বিয়ামত দিবসে অবশ্যই পুনরুত্থিত হবে’ (মুমিনূন ২৩/১৫-১৬)।
রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন,
‘ক্বিয়ামতের দিন সর্বপ্রথম আমারই কবর বিদীর্ণ হবে এবং আমিই প্রথম শাফা‘আত করব ও আমারই শাফা‘আত সর্বপ্রথম কবুল করা হবে’।[মুসলিম হা/২২৭৮, মিশকাত হা/৫৭৪১ ‘ফাযায়েল ও শামায়েল’ অধ্যায়-২৯, ‘নবীকুল শিরোমণির মর্যাদা সমূহ’ অনুচ্ছেদ-১।]
অতএব তাঁর উপরেই বর্ষিত হোক তাঁর প্রতিপালকের সর্বোত্তম অনুগ্রহ ও শান্তি!
উপরোক্ত আয়াতে কারীমা ও হাদীছ ছাড়াও এই মর্মে অন্যান্য বহু আয়াত ও হাদীছ দ্বারা এটাই প্রমাণিত হয় যে, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) সহ দুনিয়ার সমস্ত মৃতব্যক্তি কেবলমাত্র ক্বিয়ামতের দিন কবর হ’তে উঠবেন; এর পূর্বে নয়। এ ব্যাপারে মুসলিম জাহানের সমস্ত আলেমই একমত, কারু কোন দ্বিমত নেই।
উত্তর- এটা হ’ল সবচাইতে চরম মূর্খতা ও ভিত্তিহীন কর্ম। কেননা রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) ক্বিয়ামতের পূর্বে কবর থেকে বাইরে আসতে পারেন না। পারেন না কোন মানুষের সাথে মিলিত হ’তে কিংবা তাদের কোন মজলিসে যোগদান করতে। তিনি ক্বিয়ামত পর্যন্ত কবরেই থাকবেন এবং তাঁর পবিত্র রূহ তাঁর প্রতিপালকের নিকট মহা সম্মানিত ‘ইল্লীঈনে’ থাকবে। যেমন সূরায়ে মুমিনূনে এ সম্পর্কে এরশাদ হয়েছে,
( ‘অতঃপর তোমরা অবশ্যই মৃত্যুমুখে পতিত হবে’। ‘অতঃপর তোমরা ক্বিয়ামত দিবসে অবশ্যই পুনরুত্থিত হবে’ (মুমিনূন ২৩/১৫-১৬)।
রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন,
‘ক্বিয়ামতের দিন সর্বপ্রথম আমারই কবর বিদীর্ণ হবে এবং আমিই প্রথম শাফা‘আত করব ও আমারই শাফা‘আত সর্বপ্রথম কবুল করা হবে’।[মুসলিম হা/২২৭৮, মিশকাত হা/৫৭৪১ ‘ফাযায়েল ও শামায়েল’ অধ্যায়-২৯, ‘নবীকুল শিরোমণির মর্যাদা সমূহ’ অনুচ্ছেদ-১।]
অতএব তাঁর উপরেই বর্ষিত হোক তাঁর প্রতিপালকের সর্বোত্তম অনুগ্রহ ও শান্তি!
উপরোক্ত আয়াতে কারীমা ও হাদীছ ছাড়াও এই মর্মে অন্যান্য বহু আয়াত ও হাদীছ দ্বারা এটাই প্রমাণিত হয় যে, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) সহ দুনিয়ার সমস্ত মৃতব্যক্তি কেবলমাত্র ক্বিয়ামতের দিন কবর হ’তে উঠবেন; এর পূর্বে নয়। এ ব্যাপারে মুসলিম জাহানের সমস্ত আলেমই একমত, কারু কোন দ্বিমত নেই।
অতএব প্রত্যেক মুসলমানকে এই সকল বিদ‘আত হ’তে সতর্ক থাকা প্রয়োজন এবং কিছু
সংখ্যক মূর্খ ও তাদের অনুগামীরা যেসকল বিদ‘আত ও কল্পিত ধর্মানুষ্ঠান সমূহ
আবিষ্কার করেছে, যার সপক্ষে আল্লাহ রববুল আলামীন কোন দলীল অবতীর্ণ করেননি- ঐ
সকল অপকর্ম হ’তে সকলের সাবধান থাকা উচিত।
অতঃপর অনুগ্রহ ও শান্তি বর্ষিত হৌক রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর উপর। আর এটা হ’ল
আল্লাহর নৈকট্য লাভের উৎকৃষ্ট উপায় এবং সৎকর্ম সমূহের অন্যতম।
যেমন আল্লাহ বলেছেন যে,
‘নিশ্চয়ই আল্লাহ ও তাঁর ফেরেশতা মন্ডলী নবীর প্রতি অনুগ্রহ বর্ষণ করেন। অতএব হে
বিশ্বাসীগণ! তোমরাও তাঁর প্রতি দরূদ ও সালাম পেশ কর’ (আহযাব ৩৩/৫৬)। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, যে ব্যক্তি আমার উপর একবার দরূদ পাঠ করে, আল্লাহ তার উপর দশটি রহমত নাযিল করেন’।
[ মুসলিম, মিশকাত হা/৯২১ ‘ছালাত’ অধ্যায়-৪, ‘নবীর উপর দরূদ ও তার ফযীলত’ অনুচ্ছেদ-১৬।]
এটি সকল অবস্থায় পড়তে হয় এবং সকল বিদ্বানের নিকট ওয়াজিব হ’ল প্রত্যেক ছালাতের শেষ বৈঠকে দরূদ পাঠ করা।অনেক স্থানে এটি পাঠ করা সুন্নাতে মুওয়াক্কাদাহ। যেমন আযানের পরে ও রাসূলের নাম বলার সময় এবং জুম‘আর দিনে ও রাতে। যে বিষয়ে বহু হাদীছ বর্ণিত হয়েছে।
আল্লাহর নিকট প্রার্থনা, তিনি আমাদেরকে ও সকল মুসলমানকে দ্বীন বুঝার ও তার উপরে দৃঢ় থাকার তাওফীক দান করুন এবং সুন্নাতকে আঁকড়ে ধরার ও বিদ‘আত হ’তে সাবধান থাকার বিষয়ে সকলের প্রতি অনুগ্রহ করুন! কেননা তিনি সর্বদাতা ও দয়াবান।
(বিন বায রহ- , বিদ'আত হ'তে সাবধান ; অনুবাদ : প্রফেসর ড. আসাদুল্লাহ আল গালীব)
[ সহীহ্ ইসলামী জিজ্ঞাসা ভিডিও]
অতঃপর অনুগ্রহ ও শান্তি বর্ষিত হৌক রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর উপর। আর এটা হ’ল
আল্লাহর নৈকট্য লাভের উৎকৃষ্ট উপায় এবং সৎকর্ম সমূহের অন্যতম।
যেমন আল্লাহ বলেছেন যে,
‘নিশ্চয়ই আল্লাহ ও তাঁর ফেরেশতা মন্ডলী নবীর প্রতি অনুগ্রহ বর্ষণ করেন। অতএব হে
বিশ্বাসীগণ! তোমরাও তাঁর প্রতি দরূদ ও সালাম পেশ কর’ (আহযাব ৩৩/৫৬)। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, যে ব্যক্তি আমার উপর একবার দরূদ পাঠ করে, আল্লাহ তার উপর দশটি রহমত নাযিল করেন’।
[ মুসলিম, মিশকাত হা/৯২১ ‘ছালাত’ অধ্যায়-৪, ‘নবীর উপর দরূদ ও তার ফযীলত’ অনুচ্ছেদ-১৬।]
এটি সকল অবস্থায় পড়তে হয় এবং সকল বিদ্বানের নিকট ওয়াজিব হ’ল প্রত্যেক ছালাতের শেষ বৈঠকে দরূদ পাঠ করা।অনেক স্থানে এটি পাঠ করা সুন্নাতে মুওয়াক্কাদাহ। যেমন আযানের পরে ও রাসূলের নাম বলার সময় এবং জুম‘আর দিনে ও রাতে। যে বিষয়ে বহু হাদীছ বর্ণিত হয়েছে।
আল্লাহর নিকট প্রার্থনা, তিনি আমাদেরকে ও সকল মুসলমানকে দ্বীন বুঝার ও তার উপরে দৃঢ় থাকার তাওফীক দান করুন এবং সুন্নাতকে আঁকড়ে ধরার ও বিদ‘আত হ’তে সাবধান থাকার বিষয়ে সকলের প্রতি অনুগ্রহ করুন! কেননা তিনি সর্বদাতা ও দয়াবান।
(বিন বায রহ- , বিদ'আত হ'তে সাবধান ; অনুবাদ : প্রফেসর ড. আসাদুল্লাহ আল গালীব)
[ সহীহ্ ইসলামী জিজ্ঞাসা ভিডিও]